বাংলাদেশে লোডশেডিং কেন হয়: বিদ্যুৎ গেলে কী যাচাই করবেন
বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আর সরবরাহের পার্থক্য, সরকারি লোডশেডিং তথ্য পড়ার উপায় এবং বিদ্যুৎ গেলে স্থানীয় ত্রুটি বা রক্ষণাবেক্ষণ কীভাবে যাচাই করবেন।

বিদ্যুৎ চলে গেলে দেশের উৎপাদন ক্ষমতার খবর দেখে প্রশ্ন জাগতেই পারে: এত ক্ষমতা থাকলে ঘরের ফ্যান বন্ধ কেন? উত্তর পেতে তিনটি বিষয় দেখতে হবে—সেই মুহূর্তে কত বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, সরবরাহের নেটওয়ার্ক দিয়ে তা পৌঁছাতে পারছে কি না, আর আপনার সংযোগে কী ঘটছে। দেশের মোট উৎপাদন ক্ষমতার সংখ্যা দিয়ে তিনটি প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না।
উৎস যাচাই: ১২ অক্টোবর ২০২৬। এআইয়ের সহায়তায় তৈরি এই লেখায় নির্দিষ্ট দিনের সরকারি তথ্য ও পরিবারের জন্য একটি হিসাবের উদাহরণ ব্যবহার করা হয়েছে।
বাংলাদেশের উৎপাদন ক্ষমতার সংখ্যা কী বোঝায়
বিদ্যুৎ বিভাগের ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর হিসাবে উৎপাদন ক্ষমতা ৩২,৬৮৮ মেগাওয়াট, ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ। একই পাতায় সর্বোচ্চ উৎপাদন আলাদাভাবে লেখা আছে ১৭,২০১ মেগাওয়াট, যা ২০ মে ২০২৬-এ রেকর্ড করা হয়েছে।
দুটি সংখ্যা ভিন্ন বিষয় ও ভিন্ন দিনের তথ্য। মোট ক্ষমতা থেকে সর্বোচ্চ উৎপাদন বাদ দিলেই কোনো নির্দিষ্ট বিভ্রাটের সময় গ্রিডে কত বাড়তি বিদ্যুৎ ছিল, তা জানা যায় না। মোটের মধ্যে ক্যাপটিভ ক্ষমতাও রয়েছে। তাই পুরো সংখ্যাকে একসঙ্গে সব আবাসিক সংযোগে বিদ্যুৎ দেওয়ার নিশ্চয়তা হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
এখানে দুটি এককের পার্থক্য মনে রাখলে হিসাব বুঝতে সুবিধা হয়:
- মেগাওয়াট বা কিলোওয়াট: উৎপাদন ক্ষমতা বা নির্দিষ্ট সময়ে শক্তি উৎপাদন ও ব্যবহারের হার বোঝায়। এক মেগাওয়াট সমান ১,০০০ কিলোওয়াট।
- মেগাওয়াট-ঘণ্টা বা কিলোওয়াট-ঘণ্টা: সময় ধরে সরবরাহ বা ব্যবহৃত বিদ্যুতের পরিমাণ বোঝায়। এক কিলোওয়াট লোড এক ঘণ্টা টানা চললে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা, অর্থাৎ প্রচলিত হিসাবে এক ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন উৎপাদন ক্ষমতা ও উৎপাদনের এই পার্থক্য ব্যাখ্যা করেছে। বিলের হিসাব করতে লাগে কিলোওয়াট-ঘণ্টা। কোনো ঘণ্টায় সরবরাহে ঘাটতি বুঝতে লাগে মেগাওয়াট।
উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও সরবরাহে ঘাটতি কেন হয়
কোনো কেন্দ্রের ক্ষমতা তালিকায় থাকলেও বাস্তব উৎপাদন বদলাতে পারে। বিপিডিবির ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে স্থাপিত ক্ষমতা, বর্তমান ক্ষমতা, প্রকৃত উৎপাদন, সম্ভাব্য উৎপাদন, জ্বালানির কারণে ঘাটতি ও বন্ধ যন্ত্রের জন্য আলাদা কলাম আছে। শুধু প্রথম কলাম পড়লে পুরো পরিস্থিতি বোঝা যাবে না।
- জ্বালানির প্রাপ্যতা: প্রতিবেদনে কয়েকটি গ্যাসভিত্তিক ইউনিটে গ্যাসের ঘাটতির কথা আছে। উৎপাদনের যন্ত্র থাকলেই সেটি চালানোর মতো জ্বালানি পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
- রক্ষণাবেক্ষণ ও ওভারহল: একই প্রতিবেদনে রক্ষণাবেক্ষণ বা বড় মেরামতের জন্য বন্ধ ইউনিট চিহ্নিত করা হয়েছে। তালিকায় ক্ষমতা থাকলেই যে কাজ চলাকালে সেখান থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে, তা নয়।
- গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো: স্থানীয় বিভ্রাট আলাদাভাবে যাচাই করতে হয়। ডিপিডিসি বিদ্যুৎ বিভ্রাট, লোডশেডিং ও শীতকালীন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আলাদা সেবা ফর্ম প্রকাশ করে। ঘটনাগুলোর কারণ এক নয়।
কলামের শিরোনামও খেয়াল করুন। সম্ভাব্য উৎপাদন একটি পূর্বাভাস; প্রকৃত উৎপাদন ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্য। পূর্বাভাস বা দেশের রেকর্ড উৎপাদন থেকে আপনার এলাকায় বিদ্যুৎ যাওয়ার মুহূর্তের সরবরাহ জানা যায় না।
সরকারি লোডশেডিং তথ্য কীভাবে পড়বেন
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ সাবস্টেশন প্রান্তে চাহিদা, সরবরাহ ও লোডশেডিংয়ের তথ্য প্রকাশ করে। ১১ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনের দুটি সময়ের তথ্য দেখলেই বোঝা যায়, কোন সময়ের হিসাব পড়ছেন তা কতটা জরুরি:
দুটি সময়ের তথ্য; দিনের পুরো চিত্র বা এলাকার বিভ্রাটের সময়সূচি নয়।
| সময় | চাহিদা (মেগাওয়াট) | সরবরাহ (মেগাওয়াট) | লোডশেডিং (মেগাওয়াট) |
|---|---|---|---|
| ০৮:০০ | ১২,৪৯৭ | ১২,৪৯৭ | ০ |
| ১৯:০০ | ১৬,৩০০ | ১৫,১৩৬ | ১,১৬৪ |
সন্ধ্যা ৭টায় ঘাটতি ছিল ১৬,৩০০ − ১৫,১৩৬ = ১,১৬৪ মেগাওয়াট। লোডশেডিংয়ের কলামেও একই সংখ্যা। সকাল ৮টায় সরবরাহ ও চাহিদা সমান ছিল, আর লোডশেডিং দেখানো হয়েছে শূন্য। এখানে দুটি সময়ের তুলনা করা হয়েছে; এটি দিনের গড় হিসাব নয়।
মেগাওয়াটের সংখ্যা দিয়ে কতক্ষণ বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে বোঝা যায় না। আপনার ঘরে এক ঘণ্টা না তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না, এই সারণি তা বলে না। জাতীয় হিসাবে শূন্য লোডশেডিং থাকলেও প্রতিটি স্থানীয় লাইন ও সংযোগ সচল—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। নির্দিষ্ট বিভ্রাটের কারণ বিতরণ সংস্থায় নিশ্চিত করতে হবে।
লোডশেডিং ধরে নেওয়ার আগে তিনটি বিষয় দেখুন
- কতটুকু এলাকায় বিদ্যুৎ নেই? প্রতিবেশী ও ভবনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করুন, তাঁদের গ্রিডের বিদ্যুৎও বন্ধ কি না। তাঁরা ব্যাকআপ ব্যবহার করছেন কি না, সেটিও জেনে নিন। বড় এলাকায় বিভ্রাট হলে একই সরবরাহের সমস্যা হতে পারে, তবে এটুকু দিয়ে কারণ নিশ্চিত করা যায় না।
- আপনার এলাকার জন্য কোনো নোটিশ আছে? বিলে লেখা বিতরণ সংস্থার তারিখসহ রক্ষণাবেক্ষণ বা সরবরাহ বন্ধের নোটিশ দেখুন। এলাকা বা ফিডারের নাম ও সময় মিলিয়ে নিন। অন্য এলাকার নোটিশ আপনার সংযোগের প্রমাণ নয়।
- সমস্যা শুধু আপনার বাসায়? আশপাশের সংযোগে গ্রিডের বিদ্যুৎ থাকলে ভবনের ব্যবস্থাপনা বা দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ানকে জানান। মিটারের বার্তা, সংযোগের হিসাবসংক্রান্ত সমস্যা বা তারের ত্রুটি যাচাই করা দরকার। বারবার ব্রেকার পড়ে যাওয়াকে লোডশেডিংয়ের সময়সূচি ধরে অপেক্ষা করবেন না।
মিটারের বাক্স না খুলে বাইরে থেকে দেখা যায় এমন ডিসপ্লে পড়ুন। খোলা বা মাটিতে পড়ে থাকা তার থেকে দূরে থাকুন এবং বিপদের কথা জানান। সিডিসির বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নিরাপত্তা নির্দেশনায় পড়ে থাকা বিদ্যুতের তার স্পর্শ করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- ০১আশপাশের সংযোগ দেখুনপ্রতিবেশীর গ্রিডে বিদ্যুৎ আছে কি না জানুন। ব্যাকআপের আলো দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
- ০২সরকারি নোটিশ মিলিয়ে নিনবিলের সংস্থার নোটিশে এলাকা বা ফিডার, তারিখ ও সময় মিলিয়ে দেখুন।
- ০৩শুধু আপনার বাসায় সমস্যা?ভবনের ব্যবস্থাপনা বা দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ানকে জানান। কারণ যাচাই করা দরকার।
পড়ে থাকা বা খোলা তার থেকে দূরে থাকুন। মিটারের বাক্স খুলবেন না।
এই যাচাইয়ে সূত্র পাওয়া যায়; কারণ নিশ্চিত করবে বিতরণ সংস্থা।
তালিকাটি উৎসভিত্তিক পরামর্শ। উৎস যাচাই: ১২ অক্টোবর ২০২৬।
বিভ্রাটের ছোট নোট রাখুন, তারপর সঠিক অফিসে জানান
কখন বিদ্যুৎ গেল ও ফিরল, ঠিকানা, গ্রাহক বা মিটার নম্বর, প্রতিবেশীদের অবস্থার তথ্য এবং মিটারে কোনো বার্তা থাকলে তা লিখে রাখুন। অভিযোগের নম্বর ও অফিসের দেওয়া ব্যাখ্যাও নোট করুন। বারবার একই সমস্যা হলে শুধু স্মৃতি থেকে আন্দাজ করার চেয়ে এক সপ্তাহের এই নোট দিয়ে পরিস্থিতি ভালোভাবে জানানো যায়।
অভিযোগের নমুনা: “গ্রাহক নম্বর: __। ঠিকানা: __। __ তারিখে __ সময়ে বিদ্যুৎ গেছে। পাশের গ্রিড সংযোগেও বিদ্যুৎ নেই / আছে। মিটারে বার্তা থাকলে: __। এটি কি লোডশেডিং, রক্ষণাবেক্ষণ, নাকি ত্রুটি? অভিযোগের নম্বর এবং সম্ভব হলে বিদ্যুৎ ফেরার আনুমানিক সময় জানাবেন।”
বিলে যে সংস্থার নাম আছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সরকারি ওয়েবসাইট খুঁজতে আমাদের বিতরণ সংস্থা খোঁজার গাইড কাজে লাগতে পারে। নিচের নম্বরগুলো বিদ্যুৎ বিভাগের কন্ট্রোল রুমের তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে:
| বিতরণ সংস্থা | ফোন নম্বর |
|---|---|
| ডেসকো | ১৬১২০ |
| ডিপিডিসি | ১৬১১৬ |
| বিপিডিবি | ১৬২০০ |
| বাপবিবো / পল্লী বিদ্যুৎ | ১৬৮৯৯ |
| নেসকো | ১৬৬০৩ |
| ওজোপাডিকো | ১৬১১৭ |
বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় অভিযোগ হটলাইন ১৬৯৯৯। বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী আগে সংশ্লিষ্ট বিতরণ অফিসে অভিযোগ করতে হয়। সমাধান না হলে সংস্থার প্রধান কার্যালয়, এরপর বিদ্যুৎ বিভাগে বিষয়টি জানানো যায়।
ব্যাকআপের হিসাব করুন দরকারি যন্ত্র দিয়ে
কোন যন্ত্রগুলো চালু রাখা দরকার এবং কত ঘণ্টার ব্যাকআপ চান, আগে তা ঠিক করুন। নিচের উদাহরণটি অনুমানভিত্তিক; এটি মাপা ব্যবহার বা এলাকার লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস নয়:
- দুটি ফ্যান, প্রতিটি ৬০ ওয়াট: মোট ১২০ ওয়াট।
- দুটি এলইডি বাতি, প্রতিটি ১০ ওয়াট: মোট ২০ ওয়াট।
- একটি রাউটার, ১০ ওয়াট: মোট ১০ ওয়াট।
ধরে নেওয়া মোট লোড ১৫০ ওয়াট বা ০.১৫ কিলোওয়াট। তিন ঘণ্টা টানা চালাতে যন্ত্রগুলোর কাছে পৌঁছানো বিদ্যুৎ লাগবে ০.১৫ × ৩ = ০.৪৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা। বাস্তব যন্ত্রের ব্যবহার ভিন্ন হতে পারে। ব্যাটারি বাছাইয়ে ব্যবহারযোগ্য শক্তি ও রূপান্তরের ক্ষতি ধরতে হবে। ইনভার্টার বাছাইয়ে চলার সময়ের ক্ষমতা ও চালু হওয়ার সময়ের বাড়তি চাহিদাও দেখতে হবে। শুধু এই শক্তির হিসাব দিয়ে ব্যাটারি বা ইনভার্টারের মডেল ঠিক করা যাবে না।
নিজের যন্ত্রের ওয়াট দিয়ে যন্ত্রের বিদ্যুৎ খরচের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন। জ্বালানির খরচ তুলনা করতে জেনারেটর ও গ্রিডের খরচের ক্যালকুলেটরে বিভ্রাটের সময় ও জ্বালানির দাম বসাতে পারেন। সেখানে জ্বালানি ব্যবহারের অনুমান করা হয়। তাই নিজের জেনারেটরের বাস্তব ব্যবহার ও এলাকার বর্তমান দামের সঙ্গে ফল মিলিয়ে নিন।
বহনযোগ্য জেনারেটর কোথায় চালাবেন, সেটি নিরাপত্তার বিষয়। সিডিসির নির্দেশনা অনুযায়ী দরজা, জানালা ও বাতাস চলাচলের পথ থেকে অন্তত ২০ ফুট বা প্রায় ৬ মিটার দূরে, বাইরে এটি চালাতে হবে। ঘরে ব্যাটারিচালিত বা ব্যাটারি ব্যাকআপসহ কার্বন মনোক্সাইড শনাক্তকারী রাখার পরামর্শও আছে। জানালা খুলে রাখলেই ঘরের ভেতর জেনারেটর চালানো নিরাপদ হয় না।
এই লেখা কীভাবে তৈরি হয়েছে
গবেষণা, খসড়া লেখা ও অনুবাদে এআই ব্যবহার করা হয়েছে। শুরুর ইলাস্ট্রেশনটিও এআই দিয়ে তৈরি। চার্ট সরকারি প্রতিবেদনের দুটি সময়ের তথ্য দেখায়; ইনফোগ্রাফিক লেখার যাচাইয়ের তালিকার সংক্ষিপ্ত রূপ। সংখ্যাগুলো নিচের সরকারি উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে; ব্যাকআপ বিদ্যুতের উদাহরণটি দেওয়া অনুমান থেকে হিসাব করা। লেখাটির উদ্দেশ্য বিদ্যুৎ বিভ্রাট বুঝতে এবং অভিযোগের জন্য দরকারি তথ্য গুছিয়ে নিতে সাহায্য করা।
উৎস যাচাইয়ের তারিখ: ১২ অক্টোবর ২০২৬। প্রতিটি পরিসংখ্যান তার উল্লেখ করা দিনের তথ্য। এলাকার বর্তমান অবস্থা ও বিদ্যুৎ ফেরার সময় সংশ্লিষ্ট বিতরণ অফিসে নিশ্চিত করুন।
- বিদ্যুৎ বিভাগ: এক নজরে বিদ্যুৎ খাত, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন: উৎপাদন ক্ষমতা ও উৎপাদনের পার্থক্য
- বিপিডিবি: দৈনিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রতিবেদন, ৬ অক্টোবর ২০২৬ (পিডিএফ)
- পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ: সাবস্টেশন প্রান্তে চাহিদা, সরবরাহ ও লোডশেডিং, ১১ অক্টোবর ২০২৬
- ডিপিডিসি: বিদ্যুৎ বিভ্রাট, লোডশেডিং ও রক্ষণাবেক্ষণের সেবা ফর্ম
- বিদ্যুৎ বিভাগ: কন্ট্রোল রুম ও অভিযোগের যোগাযোগ
- সিডিসি: বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বৈদ্যুতিক ও জেনারেটরের নিরাপত্তা
সম্পর্কিত পাতা
হটলাইন ও অভিযোগ
বিদ্যুৎ চলে গেলে, বিল ভুল এলে, বা বিপদ হলে কাকে ফোন করবেন — সব কোম্পানির জন্য একটাই নম্বর ১৬৯৯৯, প্রতিটা কোম্পানির নিজের হটলাইন, আর অভিযোগ না মিটলে এক ধাপ এক ধাপ করে কোথায় যাবেন।
আমার কোম্পানি কোনটা?
জেলা আর এলাকাটা বেছে নিন — দেশের ছয়টা বিদ্যুৎ কোম্পানির মধ্যে কে আপনাকে বিদ্যুৎ দেয়, বের করে দিই। সাথে সেই কোম্পানির হটলাইন, বিল পোর্টাল আর app-র link।
লোডশেডিংয়ের খরচ
লোডশেডিংয়ের সময় ডিজেল বা পেট্রল জেনারেটর চালালে কত খরচ পড়ছে, আর সেই একই ইউনিট গ্রিড থেকে পেলে কত পড়তো — পাশাপাশি দেখে নিন।
Appliance খরচ ক্যালকুলেটর
যেকোনো appliance-র wattage আর দিনে কত ঘণ্টা চলে — এটুকু বসিয়ে দিন। এখনকার ট্যারিফ অনুযায়ী দিনে আর মাসে ঠিক কত খরচ হবে দেখাই। একটা device থেকে পুরো বাসার load — দুটোতেই চলবে।